ঢাকা,  সোমবার,  ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৭ | ৮ ফাল্গুন, ১৪২৩ বঙ্গাব্দ
For problem seeing Bangla click here
সদ্য খবর
English

বিনিয়োগ কোন সমস্যা নয়: মোহাম্মদ হোসাইন

ইবি প্রতিবেদক

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহ নিয়ে এনার্জি বাংলার সাথে কথা হয় পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন এর সাথে। তারই অংশ বিশেষ তুলে ধরা হলো।
আপনারা ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের উৎসব করছেন। এনিয়ে কিছু বলুন।
প্রধানমন্ত্রী যে রূপকল্প দিয়েছেন সে অনুযায়ি কাজ করছি। ২০২১ সালে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেয়া সম্ভব হবে। সে সময় দরকার হবে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। গত আট বছরে যোগ হয়েছে প্রায় ১০ হাজার মেগাওয়াট। আর ২০২১ পর্যন্ত লক্ষ্যপূরণ করতে লাগবে আরও নয় হাজার মেগাওয়াট। পরিকল্পনা অনুযায়ি আগামী পাঁচ বছরে যোগ হবে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।
১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে বিতর্ক আছে। এর ব্যাখ্যা দিবেন দয়া করে?
১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ হচ্ছে এ নিয়ে কোন বিতর্ক নেই। যারা জানে না তারা অন্যটা বলে। জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যাচ্ছে ১২ হাজার মেগাওযাট। ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানিসহ। সৌরসহ গ্রিডের বাইরে উৎপাদন হচ্ছে ৫০০ মেগাওয়াট। আর ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। এই সবমিলে ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এখন উৎপাদন হচ্ছে।
বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো উৎপাদনে আসেনি। এতে লক্ষ্য থেমে গেছে কিনা?
২০১০ সালে যে পরিকল্পনা করা হয়েছিল তার বেশিরভাগই বাস্তবায়ন হয়েছে। পরিকল্পনায় স্বল্পমেয়াদে ভাড়ায় আনা কেন্দ্র, মধ্যম আর পরে দীর্ঘমেয়াদে বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কথা ছিল। স্বল্পমেয়াদে ভাড়ায় আনা কেন্দ্র সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে। মধ্যমগুলো আসা শুরু হয়েছে, ২০১৯ সালের মধ্যে শেষ হবে। তবে হ্যাঁ বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো আসতে দুই তিন বছর দেরি হয়েছে। কিছু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করতে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরী হয়েছিল্। তা এখন আর নেই। গুলশানে হামলার পর সমস্যা মনে হয়েছিল। সে সমস্যা এখন উৎরে গেছে। ২০১৯ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে সবড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো উৎপাদন শুরু করবে। তবে প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত গতিতে হচ্ছে পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে আগানো যাচ্ছে?
চাহিদা অনুযায়ি আগানো হচ্ছে। ২০২১ সালে আরও আট হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ লাগবে। ২০২৩ সাল নাগাদ ২০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন হবে আশা করি।
এই কর্মযজ্ঞে বিনিয়োগ কোথা থেকে হবে?
এই পর্যন্ত বিদ্যুৎখাতে যত বিনিয়োগ হওয়ার কথা ছিল তার থেকে বেশি হয়েছে। সরকার, বেসরকারিখাত, বিদেশী বিনিয়োগ সব মিলে আগানো হচ্ছে। বিনিয়োগ কোন সমস্যা না। গত আট বছরে সরকার ও বেসরকারিখাত মিলে ১৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে আরও ২৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হবে। ২০৩০ সালে হবে ৫০ বিলিয়ন ডলার। ফলে বিনিয়োগ কোন সমস্যা না।
কোন বিষযকে চ্যালেঞ্জ মনে করেন?
এখন রাজনৈতিক অস্থিরতা নেই। সব স্বাভাবিক। আমাদের দক্ষ জনবলের অভাব আছে। সেটা পূরণেরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এখানে মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না

*

You can use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>