ঢাকা,  শুক্রবার,  নভেম্বর ২৪, ২০১৭ | ১০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
For problem seeing Bangla click here
সদ্য খবর
English

মাটির নিচে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র: উপযোগিতা নিয়ে প্রশ্ন পরিকল্পনা কমিশনের

মাহবুব রনি

জমি স্বল্পতার কারণে মাটির নিচে বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। উন্মুক্ত স্থানের চেয়ে ভূগর্ভের খরচ বেশি পাঁচগুণ বেশি। তাই এর উপযোগিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পরিকল্পনা কমিশন।

রাজধানীর কাওরান বাজার ও গুলশানে পরীক্ষামূলক দুটো উপকেন্দ্র করার জন্য জাপানের উন্নয়ন সংস্থা জাইকার সাথে ঋণ চুক্তি করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
গত ৪ অক্টোবর ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) আওতায় কাওরান বাজারে ভূ-গর্ভস্থ উপকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের মূল্যায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভাসূত্র জানায়, দেশে বর্তমানে উন্মুক্ত বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ করা হচ্ছে। জমি স্বল্পতার কারণে মাটির নিচে উপকেন্দ্র স্থাপন করে উপরে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ কিংবা বিদ্যমান ভবনের নিচে সংস্কারের মাধ্যমে সাব-স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়। ভবিষ্যতে ডিপিডিসি ও ডেসকোর সকল উপকেন্দ্র মাটির নিচে স্থাপনের জন্য নির্দেশনাও দেয়া হয়।
খরচ বেশি বলে এর যৌক্তিকতা প্রমাণ করার জন্য বিস্তারিত ও তুলনামূলক তথ্য উপস্থাপন করতে বিদ্যুৎ বিভাগ ও ডিপিডিসিকে বলা হয়েছে।

সভার কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, ঢাকায় জমির স্বল্পতার বিষয়টি বিবেচনায় নিলে প্রথাগত উন্মুক্ত বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণ যৌক্তিক নয়। ১৩২/৩৩/১১ কেভি ইনডোর এবং আন্ডারগ্রাউন্ড উপকেন্দ্র নির্মাণে যথাক্রমে দশমিক ৫০ একর থেকে দশমিক ৬৭ একর এবং দশমিক ৩৩ থেকে দশমিক ৫০ একর জমি প্রয়োজন। এ অবস্থায় কাওরান বাজারের মতো ব্যস্ততম এলাকায় ইনডোর উপকেন্দ্র নির্মাণ করে ভূমির বহুবিধ ব্যবহার ও উপযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করা যেত। এতে ব্যয় কম হতো এবং উদ্দেশ্য বহুলাংশে অর্জিত হতো। এই বিবেচনায় প্রকল্পটি থেকে বেশি উপকার পাওয়া যেত।

ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান বলেন, নতুন সাব-স্টেশন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় খোলা জায়গা আমাদের হাতে নেই। তাই মাটির নিচে উপকেন্দ্রই ভালো বিকল্প। এটি নির্মাণের খরচ উন্মুক্ত উপকেন্দ্রের চেয়ে তিন থেকে সাড়ে তিন গুণ বেশি হলেও উপকেন্দ্রের ওপর বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করা গেলে তা লাভজনক হবে। কাওরান বাজারের প্রস্তাবিত স্থানে ১৩ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণের সংস্থান করা হয়েছে। তিনি বলেন, ইনডোর উপকেন্দ্রের চেয়ে আন্ডারগ্রাউন্ড উপকেন্দ্র বেশি নিরাপদ। নিরাপত্তার বিবেচনায় ঢাকা শহরের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ইনডোরের চেয়ে আন্ডারগ্রাউন্ড উপকেন্দ্র বেশি উপযুক্ত।

এখানে মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না

*

You can use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>