বাঁশখালী বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে তথ্য গোপন করা হয়েছে

তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ–বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব আনু মুহাম্মদ বলেছেন, বাঁশখালীর বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে তথ্য গোপন করা হয়েছে।  বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য জায়গা নেয়া হলেও জনগণকে বলা হয়নি। তিন বছর আগে এস আলম গ্রুপ চীনের সঙ্গে এবং এক বছর আগে সরকারের সঙ্গে চুক্তি করে। কিন্তু তা জানানো হয়নি।
আজ বুধবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাঁশখালীতে জীবন ও পরিবেশ বিপর্যয়কারী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ বন্ধ করার দাবিতে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ–বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি চট্টগ্রাম এ সেমিনারের আয়োজন করে।
আনু মুহাম্মদ বলেন, যেকোনো কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে ঝুঁকি অনেক বেশি। পরিবেশের সমীক্ষা, সনদ, ভূমি ও স্থানীয় জনগণের মতামত নিয়ে করার নিয়ম রয়েছে।
আনু মুহাম্মদ বলেন, তাদের নিজেদের লোক জড়িত বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করতে চাইছে না।
আনু মুহাম্মদ স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করে সরকারকে দায়ী ব্যক্তিদের বিচার, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পরিবেশ সমীক্ষা না করা পর্যন্ত বাঁশখালীতে বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখা, জনগণের লাভ-ক্ষতির হিসাব করা ও জনগণের মতামত নিতে পরামর্শ দেন। গুলিতে চারজন নিহত হওয়ার ঘটনায় এস আলম ও সরকারকে দায়ী করেন।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, মানুষসহ সব প্রাণ–প্রকৃতি ধ্বংস করে ফেলবে, এ রকম কোনো উন্নয়ন তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ–বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি চায় না। কমিটি মোটেই উন্নয়নবিরোধী নয়। ঝুঁকি ও প্রাণ–প্রকৃতির কথা বিবেচনা করে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিরোধিতা করা হচ্ছে।
সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কমিটির সদস্য হাসান মারুফ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য শাহ আলম, মৃণাল চৌধুরী, নাছির উদ্দিন, মানস নন্দী, মহিম উদ্দিন, আখতার কবির চৌধুরী।