বাশখালী বিদ্যুৎ প্রকল্পের দায়িত্ব পেলাে যৌথবাহিনী
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে যৌথবাহিনী। শিগগিরই সেখানে যৌথবাহিনীর একটি কনটিনজেন্ট প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছেন নৌবাহিনীর কমডোর এম সোহাইল।
মঙ্গলবার প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে সেখানে কনটিনজেন্ট স্থাপনের ঘোষণা দেন কমডোর এম সোহাইল। তিনি বলেন, চিনা রাষ্ট্রপতি উদ্বোধনের পর কার্যত প্রকল্পটির কাজ শুরুই হয়ে গেছে। তিনি বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের নয়, বরং এটি সরকারেরই একটি অগ্রাধিকার প্রকল্প। এ জন্য প্রকল্প এলাকায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার বাহিনীর পৃথক পৃথক ইউনিট কাজ করবে।
বাংলাদেশের এস আলম গ্রুপ চীনা দুই প্রতিষ্ঠান সেপকো-থ্রি ও চায়না এইচটিজির সঙ্গে যৌথভাবে ১৩২০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা। ২০১৯ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের কথা রয়েছে।
নৌবাহিনীর কমডোর এম সোহাইল বলেন, বাঁশখালীর একজন মানুষকেও বঞ্চিত করে প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে না। আমরা প্রতিটি ব্যক্তির অভিযোগ শুনব। তিনি প্রকল্প কার্যালয়ে একটি অভিযোগ কেন্দ্র খোলার ঘোষণা দিয়ে বলেন, কাল থেকে যে কেউ এখানে অভিযোগ লিখিতভাবে জমা দিতে পারবেন। জমির প্রকৃত মালিকরা ক্ষতিপূরণ পাবেন। এ ব্যাপারে সরকারি বিভিন্ন গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। তিনি বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ প্রকল্প স্থাপন করা হবে। গত ৩১ বছরে বাঁশখালীর কোনো উন্নয়ন হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেবল এই বিদ্যুৎকেন্দ্র সামনে রেখেই আগামী দুই বছরে বাঁশখালীর চেহারা পাল্টে যাবে।
এ সময় চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) একেএম এমরান ভূঁইয়া, সাতকানিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মুফিজ উদ্দিন ও বাঁশখালী থানার ওসি মো. আলমগীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন।