জ্বালানি সহায়তা চেয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা (মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই ২০২৬):

জ্বালানি সংকট সমাধানে সহায়তা চেয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সচিবালয়ে এই তথ‍্য জানিয়ে বলেন, চলমান সংকট মোকাবিলায় দেশটি সাধ‍্যমত সহায়তা করার আশ্বাস দিয়েছে।

বাসাবাড়িতে রান্নার চুলা জ্বলে না। উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে শিল্প কারখানা। সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন। গত প্রায় এক সপ্তাহ গ্যাসের দুর্বিসহ ভোগান্তি নিয়ে চলতে হচ্ছে দেশবাসীর। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চাইলো বাংলাদেশ।

সহযোগিতা চেয়ে সোমবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে চিঠি পাঠান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমীন মালয়েশিয়া গিয়ে এই চিঠি দেন। পরে আজ মঙ্গলবার দুই প্রধানমন্ত্রী টেলিফোনে কথা বলেন। এসময় মালয়েশিয়া সাধ্যমতো সহায়তার আশ্বাস দেন।

দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সহযোগিতার অংশ হিসেবে মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে পর্যালোচনা করতে মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশে অবস্থান করছেন।

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, এলএনজি আমদানি ছাড়াও কারিগরিসহ অন্যান্য পরামর্শ নেওয়া হবে।

ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটি নিয়ে এক্সিলারেট এনার্জির আঞ্চলিক এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আজিজ কাসিম এর সাথে সচিবালয়ে বৈঠক করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী। আগামী সপ্তাহে গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে বলে জানানো হয়।

দেশে প্রতিদিন গড়ে ৩৮০ কোটি ঘনফুট গ‍্যাসের চাহিদা থাকলেও সরবরাহ করা যায় ২৭০ কোটি ঘনফুট। কিন্তু ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটিতে বয়লার বিস্ফোরণের কারণে ঘাটতির মধ্যে আরও ৪৫ কোটি ঘনফুট সরবরাহ কমে যায়। এতে তীব্র সংকট চলছে । আগামী সপ্তাহে টার্মিনালের ত্রুটি মেরামত হলে সরবরাহ কিছুটা বেড়ে প্রায় ২৫০ কোটি ঘনফুট হতে পারে।