ফিলিং স্টেশনের মজুদ পর্যালোচনা করবে সংযুক্ত কর্মকর্তা 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা (রোববার, ২৯শে মার্চ ২০২৬):

প্রত্যেক ফিলিং স্টেশনের জন্য যে সরকারি সংযুক্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের কর্মপরিধি ঠিক করা হয়েছে। কর্মকর্তারা ফিলিং স্টেশনের মজুদসহ সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করবেন।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে কর্মপরিধি ঠিক করা হয়েছে।

ফিলিং স্টেশনে সংযুক্ত কর্মকর্তা বা ট্যাগ অফিসারদের কর্মপরিধি:

১। ফিলিং স্টেশনের দৈনিক প্রারম্ভিক মজুদ রেকর্ডভুক্ত করা।

২। ডিপো থেকে সরবরাহ করা জ্বালানি তেল স্ব স্ব ফিলিং স্টেশনে উপস্থিত হয়ে পরিমাপপূর্বক গ্রহণ করা এবং ফিলিং স্টেশনের পে-অর্ডার ও ডিপোর চালান/ রিসিটের সাথে তেলের পরিমাণ মিলিয়ে দেখা।

৩। স্ব স্ব ফিলিং স্টেশনে ডিপ রোড বা ডিপ স্টিকের মাধ্যমে সরবরাহ করা জ্বালানি তেল বুঝে নেওয়া।

৪। ফিলিং স্টেশনে সংরক্ষিত রেজিস্ট্রারে ডিপো থেকে দৈনিক জ্বালানি তেল গ্রহণের হিসাব লিপিবদ্ধ হয়েছে কি না তা তদারকি করা।

৫। ফিলিং স্টেশনের ডিসপেন্সিং মেশিনের দৈনিক মিটার রিডিং সংক্রান্ত রেজিস্ট্রার পর্যবেক্ষণ করে দৈনিক বিক্রয়ের সাথে মিলিয়ে দেখা।

৬। দৈনিক বিক্রয় শেষে ফিলিং স্টেশনের সমাপনী মজুদ পর্যালোচনা করা।

৭। ফিলিং স্টেশনের ডিসপেন্সিং মেশিনের পরিমাপ যথাযথ হচ্ছে কিনা তা নিয়মিত তদারকি করা।

৮। ফিলিং স্টেশন অনুমোদন প্রাপ্তির সময় বিস্ফোরক পরিদপ্তর হতে অনুমোদিত লে-আউট প্ল্যানে পণ্যভিত্তিক মজুদ ক্ষমতার তথ্য এবং বিদ্যমান মজুদ ক্ষমতার তথ্য যাচাই করা।

৯। ফিলিং স্টেশনের আশেপাশে অননুমোদিত কোন ট্যাংক/স্থাপনা আছে কিনা তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা।

১০। ডিপো থেকে পাম্প, পাম্প থেকে ভোক্তা সরবরাহ ব্যবস্থাকে দৃশ্যমান করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।

১১। প্রতিটি ডিপো, ট্যাঙ্কার, পাম্প এবং খুচরা বিক্রির তথ্য একত্রে পর্যবেক্ষণ করা এবং প্রতিটি পাম্পে দিনে অন্তত ৩ বার (সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা) স্টক আপডেট বাধ্যতামূলক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া ।

১২। ডিপো থেকে জ্বালানি নেওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে খুচরা বিক্রি শুরু না করলে তা লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, জ্বালানি গ্রহণের এক ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি শুরু বাধ্যতামূলক করতে হবে।। প্রথমবার সতর্কতা, দ্বিতীয়বার ভ্রাম্যমাণ আদালত, তৃতীয়বার সাময়িক স্থগিতাদেশ ইত্যাদির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া ।

১৩। পাম্প খোলা আছে কি না, স্টক রেজিস্টার সঠিক আছে কি না, ডিসপ্লে বোর্ড আছে কি না, ক্যাশ মেমো দেওয়া হচ্ছে কি না, নির্ধারিত সীমা মানা হচ্ছে কি না, কন্টেইনারে অবৈধ বিক্রি হচ্ছে কি না, সারি ব্যবস্থাপনা কেমন—এসব বিষয় জিও-ট্যাগ প্রমাণসহ প্রতিবেদন তৈরি করা।