অনেক পেট্রোল পাম্প বন্ধ: ভোগান্তিতে গ্রাহক
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা (শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬):
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে পেট্রোল পাম্প বন্ধ। এতে নতুন করে সংকট তৈরি হয়েছে।
তেল নিতে এসে ফিরে গেছেন ভোক্তারা। পাম্প বন্ধ হওয়ায় তেল না পাওয়ার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কমাতে শনিবার ডিপো খোলা রাখার দাবি জানিয়েছেন পাম্প মালিকদের।
রাজধানীর বিভিন্ন পাম্প ঘুরে দেখা গেছে অনেক পাম্প বন্ধ।
মৎসভবনের সামনে রমনা পেট্রোল পাম্পে দেখা গেল জটলা। মালিকের সাথে বচসায় মোটরসাইকেল আরোহী। তার দাবি পাম্পে তেল আছে কিন্তু দেওয়া হচ্ছে না। আর মালিকের দাবি দেওয়ার মতো তেল নেই।
তেল না থাকায় দুপুরের আগ থেকেই বন্ধ রমনা পেট্রোল পাম্প।
শুক্রবার গ্রাহকরা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল নিয়েছেন। সাথে শুক্রবার ও শনিবার ডিপো বন্ধ। তাই অনেক পাম্পে তেল নেই বলে জানালেন পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাজমুল হক। শনিবার ডিপো থেকে তেল সরবরাহ করলে এই সমস্যা হবে না বলে তিনি দাবি করেন। এনার্জি বাংলাকে নাজমুল হক বলেন, সংকট ও মানুষের মধ্যে আতঙ্ক মোকাবিলায় সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। তেলের মজুদ আছে এটা ঠিক। কিন্তু মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আতঙ্ক কমাতে এবং সংকট মোকাবেলায় শনিবার ডিপো খোলা রাখার দাবি মালিকদের।
দুএকটা যে পাম্পে তেল দিচ্ছে সেখানে লম্বা লাইন। ব্যক্তিগত গাড়ি, মটর সাইকেল ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে নির্ধারিত পরিমাণে তেল নিচ্ছেন।
সরকার পরিচালিত শাহবাগের মেঘনা পেট্রোল পাম্পে তেল ছিল। এখানে ভিড়ও বেশি।
নীলক্ষেতে বন্ধ পেয়ে শাহবাগের পাম্পে এসেছেন একজন নারী মোটরসাইকেল চালক। গতকাল থেকেই তেল পাচ্ছে না বলে তিনি অভিযোগ করেন।
মোটরসাইকেলের সিসি অনুযায়ী বিপিসির বেঁধে দেওয়া সীমা নির্ধারণ করার দাবি জানান একজন ভোক্তা।
যথেষ্ট তেলের মজুদ আছে বলে জানিয়েছেন পাম্প ব্যবস্থাপক।
বেসরকারি পাম্পে তেল না থাকলেও সেনাবাহিনী পরিচালিত তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে তেল আছে। এই পাম্পে সকাল থেকে লম্বা লাইন। পাম্প ছাড়িয়ে কিলোমিটার পার হয়ে গেছে লম্বা লাইন। একজন ব্যক্তিগত গাড়ি চালক বললেন, সকাল আটটায় লাইনে দাঁড়িয়ে চার ঘণ্টা পর তেল নিতে পেরেছেন।
তেল নিয়ে কাউকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বিপিসি।