এলপিজি: দাম বাড়ানোর অগ্রিম খবরে কৃত্রিম সংকট; আইনী ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা (রোববার, ৪ঠা জানুয়ারি ২০২৫):
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, দেশে এলপিজি গ্যাসের পর্যাপ্ত মজুদ আছে। কিন্তু স্থানীয় খুচরা বিক্রেতারা দাম বাড়ানো হবে এমন অগ্রিম খবরে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে।
রোববার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে বৈঠক শেষে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
জ্বালানি সচিবের সভাপতিত্বে এলপিজি অনার্স এসোসিয়েশন এবং এলপিজি অপারেটরদের প্রতিনিধিরা এতে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে এলপিজি এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ এবং আমদানিকারকরা জানিয়েছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন এ মাসে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়াতে পারে জেনে খুচরা বিক্রেতারা এ সংকট তৈরি করেছে।
রোববার এলপিজির ১২কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৩ থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।
গত কয়েকদিন বাজারে প্রায় দ্বিগুণ দামে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে হয়েছে ক্রেতাদের।
জানানো হয়, নভেম্বর ২০২৫ মাসে এলপিজির আমদানির পরিমান ছিল ১ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন। ডিসেম্বর মাসে আমদানি হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার মেট্রিক টন। আমদানি বেশি হলেও বাজারে এলপি গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।
এলসি সহজীকরণ, ভ্যাট কমানোসহ এসোসিয়েশনের কয়েকটি দাবি আলোচনা করে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।
জানানো হয়, দেশে চাহিদার প্রায় ৯৮ ভাগ এলপিজির বেসরকারি উদ্যোক্তারা আমদানি করে।
লাইসেন্স প্রাপ্ত ৩২টির মধ্যে ১৫টি কোম্পানি এলপিজি আমদানি করে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ১৫টি কোম্পানি ১২ লাখ ৫৮ হাজার ১৫২ মেট্রিক টন এলএনজি আমদানি করেছে ।