জ্বালানি নিয়ে বিশেষ বৈঠক: সক্ষমতা যাচাই করলেন প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা (বুধবার, ২৫শে মার্চ ২০২৬):
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ সভা হয়েছে। বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে এই সভা হয়।
সভায় প্রধানমন্ত্রী জ্বালানির সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করেছেন। সক্ষমতা ও কার্যক্রমগুলো যাচাই করেছেন।
মন্ত্রিসভা ও জ্বালানি নিয়ে সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি তথ্য অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে একথা জানান।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সরকারি কতটুকু সামর্থ্য আছে তা যাচাই করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সচিব বলেন, দেশে জ্বালানি কোনো সংকট নেই। ৩০ দিনের মজুদ আছে।
প্রধানমন্ত্রী সবকিছু যাচাই করেছেন জানিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেখেছেন কীভাবে জ্বালানি তেলের ব্যবস্থা চলছে এবং মন্ত্রণালয় কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে।
এখন পর্যন্ত দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে বলে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আগে সাধারণত ১৫ দিনের মজুত রাখা হতো। এখন তা এক মাসের মতো আছে। এই মজুত আরও বড় করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মানুষ আতঙ্কে তেল কিনছে উল্লেখ নাসিমুল গনি বলেন, মানুষের মধ্যে আস্থা ফেরত এলে হয়তো আর কয়েক দিন পরে আতঙ্ক কেটে যাবে।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর গুজবের বিষয়ে তিনি অবগত নন এবং এ রকম কোনো লক্ষণও দেখতে পাচ্ছেন না বলে জানান।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী,
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্র ইসলাম অমিত,
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ, বেসামরিক বিমানমন্ত্রী আফরোজা খান, সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে পাঁচটি আইনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হলো, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) আইন; অর্থ আইন (২০২৫-২৬ অর্থবছর); অর্থসংক্রান্ত কতিপয় (সংশোধন) (২০২৫-২৬ অর্থবছর) আইন; দ্য এক্সাইজ অ্যান্ড সল্ট (সংশোধন) অ্যাক্ট এবং অর্থসংক্রান্ত কতিপয় (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন।