৫ই আগস্টের পর অনেক এলপিজি আমদানিকারক নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন: বাণিজ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা (বৃহস্পতিবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬):
এলপিজি সংকটের কারণ উল্লেখ করতে গিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে অনেক আমদানিকারক নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। এটি মার্কেট শূন্যতার একটা উপাদান।
সচিবালয়ে লিক্যুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) বর্তমান বাজার মূল্য ও সরবরাহ সংক্রান্ত উদ্ভূত পরিস্থিতির বিষয়ে এলপিজি আমদানিকারক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সাথে সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এসময় উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, আমদানিকারকরা প্রায়ই খোলা বাজার থেকে এলপিজি কেনেন। ফিউচার কন্ট্রাক্টে যান না। এজন্য মার্কেট ভলেটিলিটি তাদেরকে অনেক সময় তাৎক্ষণিকভাবে সক্রিয়ও করে, আবার নিষ্ক্রিয় করে। এছাড়া অনেকের অনেক ক্ষেত্রে বড় বড় ব্যবসা আছে। ব্যাংকের সিঙ্গেল এক্সপোজাল লিমিট তাদের অনেকের জন্য একটা অন্তরায়। এই সমস্ত বিষয়গুলো সামনে এসেছে। এগুলো নিয়ে আগামী দিনে কাজ করা হবে বলে জানান তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বেসরকারি আমদানীকারকরাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এই মুহূর্তে যদি বিপিসি নিজেই আমদানি করতে চায় সেক্ষেত্রে বেসরকারি কোম্পানীর স্টোরেজ ফ্যাসিলিটিটা ব্যবহার করতে দেবেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, খুচরা ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির সিলিন্ডার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি হচ্ছে- এরকম সংবাদ এসেছে। আগামী দিনে যেন এলপিজির সরবরাহ পরিস্থিতি সন্তোষজনক থাকে এবং খুচরা পর্যায়ে ভোক্তা পর্যায়ে কোনো ধরনের অসহনীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয় সেই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, খুচরা বিক্রেতারা অনেক সময় পরিস্থিতির সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেন। এটির সাথে আমদানীকারকের কোন সংশ্লিষ্টতা নাই। ভোক্তা পর্যায়ে যেন এরকম বিড়ম্বনার শিকার না হতে হয় বা কেউ মার্কেট এবিউজ করতে না পারেন সেজন্য আগামী দিনে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে নজরদারি বাড়াবো।