ধনী দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের দায় নিতে ব্যর্থ

Oplus_131072

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা (বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর ২০২৬):

ধনী দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের দায় নিতে ব্যর্থ হয়েছে, যার ফলে সামগ্রিক বৈশ্বিক পরিবেশ প্রতিনিয়ত সংকটাপন্ন হচ্ছে।

“প্যারিস থেকে আন্তালিয়া: প্রকৃতির জন্য জলবায়ু অর্থায়নের পর্যালোচনা” শীর্ষক এক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এ কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বানানীর একটি হোটেলে বেসরকারি সংস্থা চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ এই সংলাপের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে দেশীয় জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি গত তিন দশকে বৈশ্বিক জলবায়ু পদক্ষেপের ধীরগতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

ড. মঈন খান ৩৫ বছর আগে জাতিসংঘে পরিবেশ বিষয়ক তাঁর দেওয়া একটি ভাষণের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি আক্ষেপের সঙ্গে উল্লেখ করেন, দূষণকারী ক্ষতিপূরণ দেবে-এমন নীতির মতো তৎকালীন আলোচিত মৌলিক বিষয়গুলো বিশ্বজুড়ে আজও অমিমাংসিত অবস্থায় রয়ে গেছে।

ড. মঈন খান বলেন, ৩৫ বছর আগে জাতিসংঘে যেসব পরিবেশগত শঙ্কা ও উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছিলাম, আজও সেগুলোই পুনর্ব্যক্ত করছি।

জলবায়ু অর্থায়ন ও জাতীয় ঋণ বিষয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে ড. মঈন খান বলেন, ঋণ গ্রহণ নিজেই কোনো বড় সমস্যা নয়, আসল সমস্যা হলো সেই অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশ বহু বছর ধরে ঋণ নিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ করলেও আন্তর্জাতিকভাবে উচ্চ ঋণগ্রস্ত দরিদ্র দেশের তালিকায় পড়েনি। ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা সফলভাবে বজায় রেখেছি। এর মূল কারণ বাংলাদেশের শক্তিশালী অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি, যা মোট অর্থনীতির আনুমানিক প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ। যা কোটি কোটি মানুষের জীবনযাত্রাকে টিকিয়ে রেখেছে।