বিকল্প উৎস খুঁজতে সময় লেগেছে: ইকবাল হাসান মাহমুদ 

Oplus_131072

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা (রোববার, ২৭শে সেপ্টেম্বর ২০২৬):

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, বিকল্প উৎস খুঁজতে জ্বালানি সমস্যা সমাধানে একটু সময় লেগেছে। এখন আর সমস্যা নেই। জ্বালানি কেনার পরও আনা যায়নি বলে জানান তিনি।

রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের মন্ত্রী একথা বলেন।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে বহির্বিশ্বে নতুন কোনো বিপত্তি না হলে আশাকরি দেশেও কিছু হবে না। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জনগণ যাতে কোনো রকমের ভোগান্তির শিকার না হয়, সেজন্য সচেষ্ট আছি।

প্রধানমন্ত্রী নিজে উদ্যোগ নিয়েছেন বলেই তাড়াতাড়ি সমস্যা সমাধান সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের জন্য তেল এবং গ্যাসের প্রধান সরবরাহের জায়গা মধ্যপ্রাচ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার জন্য আমাদের সাময়িক বিকল্প উৎস খুঁজতে যেয়ে কিছুটা সময় লাগছে। এরসাথে

হঠাৎ করে একটা দুর্ঘটনা হয়েছিল, এফএসআরইউতে আগুন লাগার জন্য।

এখন এসব দুর্যোগ উৎরে জ্বালানি সরবরাহ ঠিক হয়েছে। সঠিক পরিমাণে জ্বালানি আসছে, জ্বালানি সরবরাহও ঠিক মতো হচ্ছে।

যে সাময়িক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল, এই সৃষ্টিটা পৃথিবীর সব জায়গায় হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন,

তারপরেও জনগণ যে কষ্ট করেছে সেজন্য আমরা দুঃখিত। কারণ জনগণ তো আমাদের ওপর আস্থা রেখে ভোট দিয়েছিল। কিন্তু বাধ্য হয়েছি। জোগান এবং অ্যাকসিডেন্টের জন্য দেরি হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, এখন জ্বালানি আনতে পারছি এবং এলএনজির শিডিউলও ঠিক করা হয়ে গেছে। আশাকরি আগামীতে যদি অন্য কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে, একইভাবে বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সরবরাহ করতে পারব।

প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, শিল্পকারখানাগুলো যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে জন্য আমরা দুঃখিত। ইচ্ছা করে তো করিনি। আর চাইবই বা কেন? জনগণ আমাদের ওপর আস্থা রেখেছে। জনগণকে ভোগান্তি দেওয়া আমাদের কাজ না। কিন্তু বহির্বিশ্বে যে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে; যে সমস্যা নিয়ে সারা পৃথিবী উদ্বিগ্ন কি হবে জ্বালানির ক্ষেত্রে, সেটার মধ্যে আমরাও পড়েছি।তারপরেও বিকল্প উৎস বের করেছি, বেশি দামে গ্যাস নিয়ে এসেছি জনগণের যাতে কষ্ট না হয় সেটা লাঘব করার জন্য।

যদি কোনো রকম কিছু না হয়, সামনের দিনগুলো মনে করি যে ভালোভাবে চালাতে পারব।

মন্ত্রী বলেন, সবচেয়ে বড় কথা সবাই মিলে একটা টিমওয়ার্ক করছি। এখানে আমি বলে কিছু নেই। সবাই মিলে টিমওয়ার্ক করছি। প্রধানমন্ত্রী নিজেই কাজ করেছেন বলেই এত তাড়াতাড়ি সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়েছে।