হরমুজ স্বাভাবিক না হলে জ্বালানি সংকটে পড়তে পারে অনেক দেশ

আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক,আইইএ‌ যৌথ বিবৃতি

oplus_2

ইবি ডেস্ক, ঢাকা (শনিবার, ৩০শে মে ২০২৬):

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন স্বাভাবিক না হলে আগামী কয়েক মাসে বিশ্বের অনেক দেশ জ্বালানি সংকটে পড়তে পারে।

শুক্রবার যৌথ বিবৃতিতে সংস্থাগুলো সতর্ক করে এই বিবৃতি দিয়েছে।

যৌথ বিবৃতির উদ্ধৃতি দিয়ে এএফপি জানায়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বৈশ্বিক তেলের মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে। উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকালীন সময়ে জ্বালানির চাহিদা আরও বাড়বে। এর মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে জ্বালানি নিরাপত্তা, তেলের বাজার এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে।

আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও আইইএ চলতি বছরের এপ্রিলেই সংকট মোকাবিলায় একটি যৌথ সমন্বয় উদ্যোগ গঠন করেছিল। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর ওপর এই সংকটের প্রভাব কমানোর উপায় খুঁজছে সংস্থাগুলো।

সংস্থাগুলোর মতে, যুদ্ধের কারণে শুধু জ্বালানির দামই নয়, সারের দামও বেড়ে যাচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়ছে দরিদ্র দেশগুলো। অনেক দেশ এখন কৃষি মৌসুমের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সারের দাম বাড়লে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কাও আছে।

আইএমএফ জানিয়েছে, বাংলাদেশও একটি আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের জন্য তাদের সঙ্গে আলোচনা করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব শুধু জ্বালানি বাজারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। তেল, গ্যাস, সার ও খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার মাধ্যমে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যেতে পারে।

বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রনালি দিয়েই পরিবাহিত হয়। ফলে এ পথের যেকোনো বিঘ্নের প্রভাব দ্রুত বিশ্ববাজারে পড়ে।