কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি সরবরাহ অর্ধেকে, বেড়েছে গ্যাস সংকট

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা (মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই ২০২৬):

মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমেছে। এতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প গ্রাহকদের গ্যাস সংকট আরও বেড়েছে।

মঙ্গলবার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড বিজ্ঞপ্তিতে

জানিয়েছে, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তিতাসের আওতাধীন এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাসের চাপ কম থাকবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আবাসিক অনেক এলাকায় দিনের বেশির ভাগ সময় চুলায় আগুন জ্বলছে না। কোথাও কোথাও একেবারেই গ্যাস মিলছে না। শিল্পাঞ্চলের অনেক কারখানাও প্রয়োজনীয় চাপ না পাওয়ায় উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে।রপ্তানিমুখী শিল্পেও এর বিরূপ প্রভাব পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। স্বাভাবিক সময়েও জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয় প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস। প্রতিদিনই প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুটের ঘাটতি থাকে। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে আসে প্রায় ১৬৫ কোটি ঘনফুট এবং আমদানি করা এলএনজি থেকে আসে ৯৫ থেকে ১০০ কোটি ঘনফুট। নতুন করে এলএনজি সরবরাহ ৪৫ কোটি ঘনফুট কমে যাওয়ায় বেড়েছে গ্যাসের আরও ঘাটতি।

মহেশখালীর দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে দৈনিক গড়ে সর্বোচ্চ ১১০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। স্বাভাবিক সময়ে সেখান থেকে গড়ে ৯৫ থেকে ১০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যোগ হয়। তবে কারিগরি ত্রুটির কারণে বর্তমানে সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।