কারিগরি ত্রুটিতে একটি এলএনজিও টার্মিনাল বন্ধ: দেশজুড়ে প্রকট গ্যাস সংকট
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা (বুধবার, ২২শে জুলাই ২০২৬):
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। এতে সংকটের মধ্যে আরও সংকট বেড়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প গ্রাহকরা গ্যাস সংকটে ভুগছেন। নগরীর অনেক সিএনজি স্টেশন গ্যাসের চাপ কম থাকায় দীর্ঘক্ষণ বন্ধ।
সরবরাহ করা গ্যাসের বড় অংশই আমদানি করা হয়। এলএনজি আকারে আমদানি করা সেই গ্যাস রূপান্তর করে সমুদ্রে ভাসমান দুটি টার্মিনালের মাধ্যমে পাইপ লাইনে সরবরাহ হয়। কারিগরি ত্রুটি হওয়ায় সমুদ্রে ভাসমান দুটির মধ্যে একটি টার্মিনাল পুরোপুরি বন্ধ। এতে প্রায় ৪৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বন্ধ আছে। প্রায় ৪শ’ কোটি ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে ২শ’ কোটি ঘনফুটের কিছুটা বেশি। চাহিদার প্রায় চল্লিশ শতাংশ গ্যাস সরবরাহ নেই।
সরবরাহ নেই তাই ভোগান্তিতে দেশবাসী। রাজধানীর কয়েকটি সিএনজি স্টেশন গ্যাস না থাকার কারণে বন্ধ। অনেক সিএনজি স্টেশন বন্ধ। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্যাস নিতে।
সরোজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর হাজীপাড়া সিএনজি স্টেশন দুপুরের দিকে বন্ধ। ভোর থেকে এখানে গ্যাস নেই। সন্ধ্যায়ও খোঁজ নিয়ে জানা গেল, তখন পর্যন্ত গ্যাস আসেনি। এর আশপাশের কয়েকটি সিএনজি স্টেশনও বন্ধ। বিকালে তেজগাঁও সিটি স্টেশনও বন্ধ থাকতে দেখা গেছে।
পেট্রোবাংলা বলছে, কারিগরি ত্রুটি মেরামতের চেষ্টা করছেন প্রকৌশলীরা, দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।
পেট্রোবাংলার পরিচালক প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম জানান, মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনাল মেরামতের কাজ চলছে। দ্রুতই সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা করেন।